Browsing: Narendra Modi
নয়াদিল্লিতে অষ্টাদশ ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে সাক্ষাৎ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট কাসিম জোমার্ত তোকায়েভ। রাজনৈতিক সম্পর্ক থেকে প্রতিরক্ষা, জ্বালানি থেকে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ, একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা পর্যালোচনা করেছেন দুই নেতা।
নয়াদিল্লির ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে সাক্ষাৎ হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং ফিলিপিন্সের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রের। প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য, মহাকাশ, ফিনটেক এবং শিক্ষার মতো একাধিক ক্ষেত্রে সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে দুই নেতার মধ্যে।
য়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে একসঙ্গে দেখা গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে। ১১ সদস্যের সম্প্রসারিত ব্রিকস যখন বিশ্বশাসনে আরও বড় ভূমিকার দাবি তুলছে, তখন অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্যও সামনে আসছে। অর্থনৈতিক সহযোগিতা, স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেন, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সংস্কার এবং Global South-এর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর প্রশ্নে ঐকমত্য তৈরি হলেও পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত এবং সদস্যদের ভিন্ন কূটনৈতিক অবস্থান ব্রিকসের সামনে বড় পরীক্ষা তৈরি করেছে।
নয়াদিল্লি ঘোষণাপত্রে সহমত ব্রিকস, জাতিসংঘ সংস্কারের ডাক মোদীর, আগামী বছর সভাপতিত্ব চিনের হাতে
নয়াদিল্লিতে অষ্টাদশ ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হল নয়াদিল্লি ঘোষণাপত্র ২০২৬। এই ঘোষণাপত্রে যুদ্ধ এবং একতরফা শুল্কনীতির বিরোধিতার পাশাপাশি জাতিসংঘ সহ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলির সংস্কারের ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রস্তাব দিয়েছেন নাবিকদের জন্য নতুন এক জরুরি সহায়তা ব্যবস্থারও। সম্মেলনের শেষে আগামী বছরের জন্য জোটের সভাপতিত্বের ভার তুলে দেওয়া হয়েছে চিনের হাতে।
ব্রিকস মঞ্চে নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন আন্তর্জাতিক উদ্যোগের প্রস্তাব। বিপদে পড়া নাবিকদের দ্রুত সহায়তার জন্য সমন্বিত ব্যবস্থার ভাবনা। সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষ ও কূটনৈতিক মিশনগুলিকে একসূত্রে আনার লক্ষ্য। আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে সামুদ্রিক নিরাপত্তা আরও জোরদারের উদ্যোগ।
ভারতের পূর্ব সীমান্তে বাংলাদেশের গুরুত্ব কোনও সরকার বা রাজনৈতিক দলের ওপর নির্ভরশীল নয়। সরকার বদলাতে পারে, রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে পারে, কিন্তু ভূগোল বদলায় না। আর সেই ভূগোলই ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে পরিণত করেছে।
ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর শিক্ষা মন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্ব পেলেন প্রহ্লাদ জোশী। নিট-ইউজি বিতর্কের আবহে দেশের শিক্ষা প্রশাসনে বড় পরিবর্তন।
জিন্দ থেকে দেশের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেনের যাত্রা শুরু করালেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। পাশাপাশি ১৪ হাজার কোটিরও বেশি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পেরও উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

