দেশ
য়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে একসঙ্গে দেখা গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে। ১১ সদস্যের সম্প্রসারিত ব্রিকস যখন বিশ্বশাসনে আরও বড় ভূমিকার দাবি তুলছে, তখন অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্যও সামনে আসছে। অর্থনৈতিক সহযোগিতা, স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেন, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সংস্কার এবং Global South-এর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর প্রশ্নে ঐকমত্য তৈরি হলেও পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত এবং সদস্যদের ভিন্ন কূটনৈতিক অবস্থান ব্রিকসের সামনে বড় পরীক্ষা তৈরি করেছে।
য়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে একসঙ্গে দেখা গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে। ১১ সদস্যের সম্প্রসারিত ব্রিকস যখন বিশ্বশাসনে আরও বড় ভূমিকার দাবি তুলছে, তখন অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্যও সামনে আসছে। অর্থনৈতিক সহযোগিতা, স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেন, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সংস্কার এবং Global South-এর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর প্রশ্নে ঐকমত্য তৈরি হলেও পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত এবং সদস্যদের ভিন্ন কূটনৈতিক অবস্থান ব্রিকসের সামনে বড় পরীক্ষা তৈরি করেছে।
ব্রিকস মঞ্চে নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন আন্তর্জাতিক উদ্যোগের প্রস্তাব। বিপদে পড়া নাবিকদের দ্রুত সহায়তার জন্য সমন্বিত ব্যবস্থার ভাবনা। সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষ ও কূটনৈতিক মিশনগুলিকে একসূত্রে আনার লক্ষ্য। আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে সামুদ্রিক নিরাপত্তা আরও জোরদারের উদ্যোগ।
নয়াদিল্লিতে ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ১৮তম BRICS শীর্ষ সম্মেলন। সম্মেলন ঘিরে ভারতের রাজনৈতিক পরিসরে উঠে এসেছে ভিন্নমত। কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা পি চিদম্বরম সাম্প্রতিক BRICS বৈঠকগুলি থেকে ভারতের কী বাস্তব লাভ হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। অন্যদিকে কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর ভারতের আয়োজক হওয়ার কূটনৈতিক গুরুত্ব এবং আন্তর্জাতিক মর্যাদার কথা তুলে ধরে সম্মেলনকে গুরুত্বপূর্ণ বলে ব্যাখ্যা করেছেন।

